ভাবসম্প্রসারণ করুনঃ
জননী জন্মভূমিশ্চ স্বর্গাদপি গরিয়সী
মূলভাব: মানুষের জীবনে আপন জননী এবং জন্মভূমির স্থান সবার উপরে। মা যেমন আমাদের জন্ম দিয়ে লালন-পালন করেন, জন্মভূমিও তেমনি তার আলো-বাতাস ও অন্ন-জল দিয়ে আমাদের জীবন রক্ষা করে। তাই মা ও মাতৃভূমি উভয়েই স্বর্গের চেয়েও শ্রেষ্ঠ ও মহান।
ভাব-সম্প্রসারণ: স্বর্গ মানুষের কাছে এক পরম সুখের স্থান এবং পরম কাম্য। কিন্তু এই কল্পিত স্বর্গের চেয়েও বাস্তব জগতের মা এবং মাতৃভূমি অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। জননী আমাদের অন্ধকার গর্ভ থেকে আলোর পৃথিবীতে নিয়ে আসেন। নিজের রক্তবিন্দু দিয়ে তিনি সন্তানকে তিল তিল করে বড় করে তোলেন। সন্তানের সুখে মায়ের হাসি আর সন্তানের দুঃখে মায়ের চোখের জল পৃথিবীর কোনো সম্পদের সাথেই তুলনা করা যায় না। জননী ছাড়া এই পৃথিবীর রূপ-রস ভোগ করা আমাদের পক্ষে অসম্ভব ছিল। ঠিক তেমনিভাবে জন্মভূমি আমাদের কাছে মায়ের মতো।
জনন্মভূমির মাটিতে আমাদের বেড়ে ওঠা, তার জল-বায়ু আর প্রকৃতির কোলে আমাদের জীবন অতিবাহিত হয়। বিদেশের ঐশ্বর্য বা চাকচিক্য কখনোই স্বদেশের মাটির টান বা মমতাকে ছাড়িয়ে যেতে পারে না। দেশের প্রতি মমতা আর শ্রদ্ধা মানুষের অন্তরের এক গভীর ও অকৃত্রিম আবেগ। ইতিহাস সাক্ষী দেয়, যুগে যুগে দেশপ্রেমিকেরা তাঁদের জন্মভূমিকে রক্ষার জন্য হাসিমুখে নিজের জীবন বিসর্জন দিয়েছেন। কারণ তাঁরা জানতেন, পরাধীন স্বর্গের চেয়ে স্বাধীন মাতৃভূমি অনেক বেশি গৌরবের। বস্তুত, যার মধ্যে মা ও মাতৃভূমির প্রতি শ্রদ্ধা নেই, সে প্রকৃত মানুষ হতে পারে না। মা এবং মাতৃভূমি এই দুইয়ের আশীর্বাদ ও মমতাই মানুষের জীবনের শ্রেষ্ঠ অর্জন। স্বর্গের সুখ ক্ষণস্থায়ী বা পারলৌকিক হতে পারে, কিন্তু মা ও মাতৃভূমির স্নেহ ও আশ্রয় ইহকালেই মানুষকে পরম তৃপ্তি দেয়।
উপসংহার: মা ও মাতৃভূমি মানুষের অস্তিত্বের মূল ভিত্তি। তাঁদের সম্মান রক্ষা করা এবং তাঁদের প্রতি নিবেদিত থাকা প্রতিটি মানুষের পরম ধর্ম ও পবিত্র কর্তব্য।
ধমের (কথা) কল বাতাসে নড়ে।
খাল কেট (সাপ) কুমির আনা
অশুদ্ধ- বিরটা গরু গছালের টহা
শুদ্ধ- গরু-গছালের বিরটা টহা
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?